আবারও হরিপুরে কে বি ডিগ্রি কলেজে ভূয়া কাগজ পত্র দেখিয়ে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ। - Simanto Times
Latest:

Today: 13 Apr 2021 - 03:20:03 am

আবারও হরিপুরে কে বি ডিগ্রি কলেজে ভূয়া কাগজ পত্র দেখিয়ে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ।

Published on Wednesday, February 24, 2021 at 11:04 am 248 Views

simantotimes24

হরিপুর, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হরিপুর উপজেলায় কে, বি ডিগ্রি কলেজে, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, প্রাতিষ্টানিক অাভ্যন্তরীন অর্থ আত্মসাৎ, স্বেচ্ছাচারিতা,জালিয়াতি এবং ভুয়া কাগজ পত্র করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে।

কেবি ডিগ্রি কলেজে রেগুলার কমিটি গঠন হয়েছিল ২০১০ সালে শেষ হয় ২০১৫ সালে এর পর আর কোন রেগুলার কমিটি হয়নি।
কেবি ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ মোঃ জালাল উদ্দীন বিরুদ্ধে ভূয়া শিক্ষক নিয়োগ দেখিয়ে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তোলনের
অভিযোগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় নিকট লিখিত অভিযোগ করলে, তিনি রংপুর আঞ্চলিক পরিচালকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন। রংপুরের আঞ্চলিক পরিচালক মোঃ রবিউল হক সরেজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা রহিয়াছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন।যাহার সুত্র স্মারক নং ০৭ (র-৬৭৪) জাতীঃবিঃ/ কঃপঃ কোড-৩৫১৬/২৭৭৯২(৪) তারিখ ০৮-০৮-২০১৬,।
প্রতিবেদনে আটটি সুপারিশ সহ
ইতিপূর্বে ভূয়া কাগজ তৈরি করে রতন কুমার হালদার পিতা রমেশ চন্দ্র হালদার কে ২০-০৭-২০০১ ইং তারিখে ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক নিয়োগ দেন। পরবর্তীতে ০১-০৯-২০০৩ পর্যন্ত এমপিও ভুক্ত ছিল। সেই রতন কুমার হালদার নামের বেতন ভাতা উত্তোলনের ১,১৮,০০০ টাকা, অধ্যক্ষ নিজে উত্তোলনের সত্যতা রহিয়াছে মর্মে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, প্রতিবেদনে বলা হয় আত্মসাৎ এর অর্থ ফেরত দানে নির্দেশনা প্রদান করেন। অধ্যক্ষ মোঃ জালাল উদ্দীন বিরুদ্ধে সেই টাকা জমা না দেওয়ার অভিযোগে ও আরো অন্যান্য কারণে তৎকালীন কে বি ডিগ্রি কলেজের গর্ভনিং বডি অধ্যক্ষ মোঃ জালাল উদ্দীন কে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

নানান অনিয়মের অভিযোগ দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় ২৭ শে অক্টোবর ২০১৭ প্রকাশিত হয়। এই অনিয়মের মধ্যে প্রতিষ্ঠান টির বেহাল দশা। আবারও একই ভাবে আরেক একজন শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ করে সাবেক গর্ভনিং বডির অভিভাবক সদস্য মোঃ নবাব আলি। অর্থলোভী অধ্যক্ষ মোঃ জালাল উদ্দীন তাহার ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে কে বি ডিগ্রি কলেজে মোঃ জিয়াউল হাসান মুকুল ইতিহাস বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে চাকুরী করেন। গত ৩০-০৬-২০২০ ইং তারিখে কে বি ডিগ্রি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ইতিহাস বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জিয়াউল হাসান মুকুল পদ হতে ইস্তফা প্রদান করেন । কিন্তু ঐ প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ১৮ বছর যাবৎ ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ প্রাপ্ত ছিলেন মোঃ তসিরুল ইসলাম, কিন্তু কে বি ডিগ্রি কলেজ স্তর পরিবর্তন না হওয়ায় তসিরুল ইসলাম এমপিও ভুক্ত হতে পারে নি। বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষক পদ শূন্য হলে তসিরুলকে সমন্বয় না করে মোঃ মতিউর রহমান এর ভূয়া কাগজ পত্র তৈরি করে বেতন ভাতা জন্য আবেদন করেন এবং জানুয়ারী ২০২১ এমপিও সীটে ইনডেক্স N৫৬৮০৪০৫১ মোঃ মতিউর রহমানের এমপিও সীটে আসে।
ভূয়া কাগজ তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ এর উদ্দেশ্য মোঃ মতিউর রহমান নামে বিল বেতন প্রস্তুত করিয়াছেন।
এই অনিয়মের অভিযোগে ঐ শিক্ষক কে কখনও কলেজে দেখেছেন কিনা, ইতিহাস বিষয়ের সাবেক সহকারী অধ্যাপক বর্তমান হরিপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জিয়াউল হাসান মুকুলের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ঐ নামে কাউকে কখনো দেখিনি, আদৌও সত্যি না,মোঃ মতিউর রহমান নামে একজন শিক্ষক নিয়োগ ছিল।
পূর্বের গর্ভনিং বডির সদস্য মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আমাদের আমলে সার্কুলার হয়েছিল কিন্তু কোন নিয়োগ হয়নি বলে স্বীকার করেন ।

এ অভিযোগে বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে, তিনি উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল এর নির্দেশ প্রদান করেন।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *