ডোমারে সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা চুরির রহস্য উৎঘাটন করে পুলিশ: অজ্ঞান পার্টির সদস্য আটক - Simanto Times
Latest:
Default Ad Banner

Today: 26 Oct 2020 - 01:10:33 am

ডোমারে সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা চুরির রহস্য উৎঘাটন করে পুলিশ: অজ্ঞান পার্টির সদস্য আটক

Published on Thursday, August 27, 2020 at 2:50 pm 17 Views

ডোমারে সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা চুরির রহস্য উৎঘাটন করে পুলিশ: অজ্ঞান পার্টির সদস্য আটক

রবিউল হক রতন, ডোমার (নীলফামারী)প্রতিনিধি:
অবশেষে নীলফামারীর ডোমারে সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা চুরির রহস্য উৎঘাটন করল পুলিশ, অজ্ঞান পার্টির সদস্য সাজ্জাদ আটক । বৃহস্পতিবার দুপুরে সাজ্জাদ আদালতে স্বিকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে, তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
থানা সুত্রে জানাযায়, গত বুধবার(২৬ আগষ্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডোমার থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত বিশ্বদেব রায় ও এসআই আজম প্রধান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঠাকুরগাও সদর উপজেলার শিংগিয়া এলাকার তমিজ উদ্দিনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেনকে (৩৫) তার বাড়ী হতে তাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশের জিজ্ঞাসা বাদে সাজ্জাদ উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের মির্জাগঞ্জ ময়দান পাড়া এলাকার চাতাল ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান দুলুর বাড়ীর সকলকে খাদ্যে অচেতনানাশক ঔষধ খাওয়াইয়ে অজ্ঞান করে নয় লক্ষ ২৫ হাজার টাকা চুরির সাথে নিজেকে সর্ম্পিক্ত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং তার সহযোগী চোরের সকল তথ্য উন্মোচন করেন।

পুলিশ জানান, চলতি বছরের ১৮ মার্চ দুপুরে মির্জাগঞ্জ এলাকায় তার দুর সম্পর্কের খালাতো ভাই দুলুর বাড়ীতে বেড়াতে আসে সাজ্জাদ। সন্ধ্যার দিকে রান্না ঘরে গিয়ে খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। জরুরী কাজ আছে বলে রাতের খাবার না খেয়েই দুলুর বাড়ী হতে সাজ্জাদ চলে যায়।
এরপর রাত আনুমানিক দুই টার দিকে সাজ্জাদ আবারও দুলুর বাড়ীতে ফিরে আসে। সবাই ঘুমে বিভোর দেখে সাজ্জাদ তার সহযোগী চোরদের মুঠো ফোনের মাধ্যমে দুলুর বাড়ীতে আসতে বলে। আড়াই টার দিকে বোদা উপজেলার নুরুজ্জামান (৪০), আবু তাহের (৩৬), আটোয়ারী উপজেলার বিপুল ইসলাম (৩৬), দেবীগঞ্জ উপজেলার সেলিম (৩৯), হাবিবুর রহমান (৪২), ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শাহিনুর (৩২) সহ ছয় জন দুলুর বাড়ীতে চুপিসারে প্রবেশ করে। আবারো বাড়ীর ঘুমন্ত সদস্যদের তারা চেতনানাশক স্প্রে করে। ঘরের স্টিলের আলমিরা ভেঙে ধান বিক্রির ৯ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়। এরপর দেবীগঞ্জ উপজেলার ধুলাঝাড়ি এলাকায় গোপনে তারা টাকা ভাগাভাগি করে নেয়। সাজ্জাদ ও হাবিবুরকে ৩০ হাজার করে ৬০ হাজার টাকা দিয়ে তাদের বিদায় দেয়। বাকি আট লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা পাঁচ জনে ভাগ করে নেয়। নুরুজ্জামান ওই চুরির টাকা দিয়ে গ্রামের বাড়ীতে বাড়ী নির্মান কাজ শুরু করে। সাজ্জাদ এর আগেও দেবীগঞ্জ উপজেলায় একাধীক চুরির সাথে জড়িত আছে বলে যানায় পুলিশ।এর আগে এ চুরির আরেক আসামী হাবিবুর রহমানকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়। হাবিবুরের তথ্যের ভিত্তিতে সাজ্জাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান জানান, চুরির ঘটনাটি ঘটার সাথে সাথে আমরা বিভিন্ন ভাবে অনুসন্ধান শুরু করি। কোন ক্লু না থাকায় এতোদিন সময় লাগলো সহস্য উৎঘাটনে। এ পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন আমরা চোরদের পরিচয় সনাক্ত করেছি। বাকিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *