ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুরে ব্রাক স্কুলের ছাত্রী রিমা(৭) কে স্বাসরোধ করে হত্যা - Simanto Times
Latest:
Default Ad Banner

Today: 15 Jul 2020 - 11:30:08 am

ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুরে ব্রাক স্কুলের ছাত্রী রিমা(৭) কে স্বাসরোধ করে হত্যা

Published on Thursday, May 28, 2020 at 2:30 pm 41 Views

শ্বাসরোধে শিশু হত্যা

আনোয়ার হোসেন, হরিপুর উপজেলা প্রতিনিধি :
ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলায় ৩ নং বকুয়া ইউনিয়নে কাসুওয়া পাড়া  গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।মোঃ সিরাজুল ইসলামের মেয়ে মোছাঃ রিমা আকতার কে  একই গ্রামের  আব্দুল বারেক দ্বিতীয় ছেলে মোঃ রাজিউর রহমান রাজু  শ্বাসরোধ করে হত্যা  করেছে বলে প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে। ২৮-৫-২০২০ ইং তারিখে  আনুমানিক সকাল ৯টার  দিকে খেলার সাথীর খোঁজে পার্শ্ববতী মোঃ আবদুল বারেক বাড়িতে যায়। আব্দুল বারেকের দ্বিতীয় ছেলে মোঃ রাজিউর রহমান (রাজু -১৫) ৮শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রের  সাথে  প্রায়ই খেলাধুলা করত রিমা। মেয়েটি মিশুক  স্বভাবের হওয়ায়  গ্রামের সকলের প্রিয় ছিল। দুপুরের খাবারের সময় হলে রিমার বাবা-মা, মেয়েকে না পেয়ে খোঁজা খুঁজি শুরু করে।  রিমার বাবা এলাকায় কোথাও না পেয়ে  তখন   মাইকিং শুরু  করে। এতে  আবদুল বারেক পরিবারের লোকজন ভয় পেয়ে যায়।প্রথমে লাশ লুকিয়ে রাখার জন্য  চেষ্টা করে,অবস্থা বেগতিক দেখে  টিনের ট্রাংক আঙ্গিনায় ফেলে রেখে  সবাই লুকিয়ে যায়। মেয়ের দূরসম্পর্কের চাচা রবিউল পার্শ্ববতী বাড়ির লোকজনের কোন সারা শব্দ না পেয়ে  মুঠোফোনে আব্দুল বারেকের সাথে যোগাযোগ করে। আব্দুল বারিক  স্বাভাবিক ভাবেই স্বীকার করে বলে, তাঁর দ্বিতীয় ছেলে রাজিউর রহমান রাজু( ১৫)রিমা কে মেরে ফেলেছে, তার পূর্ব ঘরে বিছানায় লেপ  দিয়ে ঢেকে রেখে। রবিউল  মুঠোফোনের কথা শুনে তৎক্ষনাৎ পরিবারের লোকজন সবাই কে নিয়ে বারেকের বাড়িতে যায় এবং পূর্ব ঘরে ঢুকে দেখে সত্যি  রিমাকে হত্যা করে লেপ দিয়ে ঢেকে রাখে। এই অবস্থা দেখে পরিবারের লোকজন  সবাই কান্নায় ভেঙে পড়ে। মৃতের  গলায় পেচানো দাগ ও মুখের মধ্যেই গামছা মুড়িয়ে / ঢুকিয়ে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করা হয়। কি কারনের রিমা কে হত্যা করা হলো বিষয়টি রহস্যজনক।  তখনে হরিপুর থানায় অবহিত করা হলে হরিপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আমিরুজ্জামান লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।মৃতের বাবার মোঃ সিরাজুল ইসলাম সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান, যারা আমার মেয়ে কে যারা  হত্যা করেছে তাদের  শাস্তি দাবি করছি। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রক্রিয়াধীন ছিল।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *