Latest:

Today: 10 Dec 2019 - 01:51:40 pm

কালিয়ায় অস্বাস্থ্য ও নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বেকারী পন্য

Published on Sunday, December 1, 2019 at 5:53 pm 5 Views

simantotimes24

কালিয়া (নড়াইল)প্রতিনিধি:
ফাস্ট ফুড খাদ্য সামগ্রী হিসেবে বিস্কুট, কেক, পাউরুটি সহ নানা জাতীয় বেকারি খাবার পরিবারের প্রায় সকলেই খেয়ে থাকেন। দিনদিন এর চাহিদাও কম নয়। শিশুদের পছেন্দর খাবার হিসেবেও এসব খাবার তাদের কাছে প্রিয়। এছাড়া বাসাবাড়ীতে আত্মীয়স্বজনদের বেকারি খাবার একটি অন্যতম। জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি এসব খাবারের চাহিদাও ব্যাপক। গ্রাম থেকে শহরসহ প্রত্যান্ত অঞ্চলে হরহামেশাই প্রতিদিন পৌঁছে যায় এসব খাদ্যসামগ্রী। এসবের বেশিরভাগ পণ্যে থাকে লেবেল। ফলে মানুষ নিরাপদ বা স্বাস্থ্যসম্মত মনে করেই এসব খেয়ে থাকেন। কিন্তু এসব তৈরীর েেত্র কিছু নিয়মনীতি রয়েছে। যা বাধ্যতামূলক। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার অন্তগত বাঐসোনা গ্রামের কোয়ালিটি ব্রেড এন্ড বিস্কুট এবং নড়াগাতি বাজার সংলগ্ন নিউ টি,এম, ভাই ভাই বেকারি’ নামক দুটি কারখানায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে এসব পণ্য। যেমন- কেক, পাউরুটি, বিস্কুটসহ নানা বেকারি খাবার। ওই বেকারির অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে মনে হবে এটি একটি পরিত্যক্ত বাসা। ওই সব প্রতিষ্ঠনটির ভিতরে রয়েছে গাছের গুঁড়িসহ পুরনো সব ডালপালা। স্যাঁতসেঁতে মাটিসহ নোংরা পরিবেশ। নামমাত্র একটি ঘরে বড় আকারে চুলা বসিয়ে এসব পণ্য দীর্ঘদিন ধরে তৈরি করা হচ্ছে। ভিতরে দেখা যায়, শ্রমিকরা মাটিতে দাঁড়িয়ে অপরিছন্ন শরীরে এসব পণ্য তৈরিতে ব্যস্ত ।শুধু তাই নয় বাংলাদেশে শিশু শ্রম নিষিদ্ধ থাকলে ও বেকারীর মালিক শিশুদের দিয়ে কাজ করাচ্ছে । একজন শ্রমিক জানান,কোয়ালিটি ব্রেড এন্ড বেকারীর মালিক আঙ্গুর মিয়া ও নিউ টি এম ভাই ভাই বেকারীর এক কর্মচারি বলেন তার মালিকের নাম মিল্টন সহ আরও দুইজন। এ সময় কারখানার ভিতরে একটি ছোট টিনশেড ঘরে এক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়। কি দায়িত্বে আছেন জানতে চাইলে তিনি জানান আমি এখানকার কর্মচারি । পরিবেশ এমন কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, কই সব তো ঠিক আছে। তিনি বিএসটিআইর অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে বলেন ,আমি যানিনা ,মালিক বেড়াতে গেছে আপনি তার সাথে কথা বলেন।এ বিষয়ে বেকারীর মালিক আঙ্গুর মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান ,বিএসটিআইর কোনো অনুমোদন নেই । বেকারী আগে অন্য একজনের ছিল, কিছুদিন হলো আমি ভাড়া নিয়েছি । প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন মানহীন প্রতিষ্ঠানে কিভাবে এসব পণ্য তৈরি হয়, এ প্রশ্ন অনেকের। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী প্রশাসনের সদয় হস্তপে কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন,এ সম্পর্কে আমার কিছু জানা ছিলোনা। আমি অতিদ্রুত এ সব অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর বেকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব ।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *