Latest:

Today: 10 Dec 2019 - 02:49:16 pm

 একেবারে নিজস্ব ঘরানায় নির্মাণ কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক-এর একগুচ্ছ হৃদয়তান্ত্রিক ধ্রুপদী কবিতা

Published on Sunday, December 1, 2019 at 5:49 pm 13 Views
simantotimes24

 একেবারে নিজস্ব ঘরানায় নির্মাণ ~কবি~বিদ্যুৎ ভৌমিক-এর একগুচ্ছ হৃদয়তান্ত্রিক ধ্রুপদী কবিতা~

~আরশির পেছনে ছিল চাঁদ~

হাওয়াকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরি
বেশ দূরে অনেকটা দূরের মধ্যে স্পর্শ চোখ খুলে ছোঁয়ার
ইচ্ছা ছিল গ্রীষ্ম - বর্ষায় ; সেই অদেখা অনুভব
তখন আরব্য দেশে পাড়ভাঙ্গা আঁচল
অর্ধেক কদর্য হ'তে - হ'তে রৌদ্রকে জানায় মৃত্যুর নোটিশ

হাওয়াতো বোঝে না — শোকের চেহারা ; রক্ত আর ধুলো
বিশ্বস্তের অসুবিধাগুলো ! হাওয়ার গভীরে ডোবে অদেখা
বিষাদ **** স্মৃতির ফাঁটলে মহাকাল আছেন ঘুমিয়ে,
জন্মঋণ এবং প্রতিটা বছরের সাধ্যে রাখা ক্ষেদ - অপমান
অথবা প্রেমের পীড়ন ****
ছায়া ছায়া বুক থেকে গ'লে পড়ে প্রতাঘ্ন গড়ল
কী এক সত্যের তাপে পুড়ছে গোপন আহ্লাদ
মনের এক কোণে  !
সেদিন ত্রিকোণ চিহ্ন দিয়ে আর্শির পেছনে ছিল চাঁদ
মেঘেরা তাই দেখে অবাক হয়েছিল — কি জানি নষ্ট
হবার ভয়ে । সারারাত বৃষ্টির ভিতর এতো জ্বালা মধ্যে —
- মধ্যে খেলছিল আছড়ি ~ আছড়ি  !
ওই দিন মধ্যরাতে হাওয়াতো বেহুশ ছিল কী ছিল না
সে খবর রেখেছে কি তুলসীমঞ্চ, তবুও মাটির ওপরে
যেন বৃষ্টির হুড়োহুড়ি হই চই *****
গর্ভের ভ্রুণটাকে বুঝতে দেয়নি শেষ ঘন্টা বাজতে
দেরি নেই  !

এমন বিয়োন্তি মৃত্যু
কখনো দেখেনি কেউ, আকাশে বেড়ায় তার
অবহেলাগুলো **** যুগলবন্দী খেলা বিরক্ত ঘৃণায়
মখমলী শরীর তার ব্যাপ্ত ঘোরাফেরা চলে অগনন
ফিরে যেতে চাই ব'লে ।
একবার প্রতীক্ষায় আঁকি মৃত্যু কল্পনা  !!
~ছেলেটা~

ছেলেটা পাগল ব'লে মাটি ফুঁড়ে উঠতে চায়
গোলাপ চারাকে সিরিঞ্জ - সিরিঞ্জ জল দান করে, —
স্বপ্নের প্রোদ্ভিন্ন চমক দিয়ে উঠে আসে দুর্ঘটনা মাড়িয়ে !

ছেলেটা ধোঁয়া আর অন্ধকারকে
ব্লেড দিয়ে কাটতে চায়,
বৃষ্টির ভিতর পৌরুষে হেঁটে যায় সোজা স্মৃতি
যেখানে গিয়ে ঠেকেছে ****
ছেলেটা পাগল বলে চতুর্দিকে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়,
ওখানে যে সুস্থ মানুষের নিঃশ্বাস ছড়িয়ে
ছেলেটা দূরের কথা শোনার তাগিদে বাতাসে নিঃশব্দে
কান পাতে  !

ছেলেটা ভাঙতে পারে না পালোয়ানের দাঁত,
মাটির ভাবনাগুলো সন্তর্পণে মিলিয়ে নেয় আঙ্গুল গুণে —
মহাশূন্যে টুপি ছুঁড়ে দিয়ে আকাশকে বোঝায়
স্বার্থপর হয়নি সে ।
ছেলেটা পাগল ব'লে গোরস্থানে মৃতের কাছে শেখে
শব্দহীনতার কৌশল, — ছেলেটা দেবতার মতো একবিন্দু
সাড়া দেয় না মানুষের উপেক্ষায়  !!
~অমৃত~

আমার প্রবণ চোখে
অমৃত নয় বিষ তুলে নাও, হে পাষাণ নন্দিনী নবনীতা
আমি আজ হাঁপ ছাড়িয়ে ঘনিষ্ট স্বপ্নে এসেছি
তুমিকি রোদ পুকুরে সহবাস গন্ধ ধুয়ে নেবে  !

বিরহ সন্ধ্যারাগে
প্রত্যন্তে কাছাকাছি পুড়তে - পুড়তে
আমাকে ছাই করো, তবু আমি বাতাসে উড়বো ****
এসো এই জলধির চোখে ; তোমাকে অন্তস্থলে শুইয়ে
সমুদ্র জয় করি  !

বীজ গোলাপটা
বর্ষা এলে কুঁকড়ে থাকতো
তাবলে কি হলুদ হয়ে ফুটবেনা, নবনীতা ?
আমি কি একাত্তরবার প্রাণ দেব —
ভয় আছে আমার চোখের বিষ অমৃত হ'লে  !!

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *