Latest:

Today: 10 Dec 2019 - 02:17:46 pm

মদন টাক ও শামুকখোল পাখি শিংহাড়ী  গ্রামে আত্তীয়তার  বন্ধনে বাসা বেঁধেছে।

Published on Tuesday, November 19, 2019 at 10:15 am 7 Views
simantotimes24
হরিপুর উপজেলা প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলায়  অতীত কালে বন্য প্রানী  বনজঙ্গলে প্রচুর পাখি দেখা যেত।বর্তমানে  কালে প্রবাহে হারিয়ে গেছে সবি। প্রাচীন কালে বনজঙ্গলে নানা প্রজাপতির পশুপাখি বাঘ ভালুক সবি পাওয়া যেত। কালের বিবর্তনে  বন্যপ্রাণী সংরক্ষনের উদ্যোগ নেই ,প্রকৃতি ভারসাম্য রক্ষায় বন্যপ্রাণী অবদান অনেক গুরুত্বপুর্ন।গত পঞ্চাশ বছর আগেও খালে-বিলে,বনে-জঙ্গলে নানা প্রজাতির পশুপাখি দেখা যেত,বর্তমানে বন জঙ্গল উজার হয়ে যাওয়ায় পাখি বাসা বাঁধে বাচ্চা ফুটানোর জায়গায় নেই।আর কিছু প্রজাপতির পাখি,আর চোখেপড়েনা,গাঙ্চিল,সেনকুয়া,ডাহুক,টুলটুলিয়া,বনমুরগী।
হরিপুর উপজেলায় জমিদারি আমলে বড় -বড় পিপল গাছ,বড় -বড় আমগাছ, বড় -বড় বটগাছ, বড় -বড় শিমুলগাছ। মাটে ঘাটে যত্রতত্র বনাঞ্চল দেখাযেত, বর্তমানে কোথাও বনাঞ্চল দেখা যায় না। হরিপুর উপজেলায় পশ্চিমে সীমান্ত ঘেষা নাগর নদী হওয়ায় শিংহাড়ী গ্রামে ১০/১৫ আগে পার্শ্ববতী ভারত থেকে এসে শিমুল গাছে দু,টি মদনটাক পাখি এসে বাসা বাঁধে বাচ্চা ফুটায়,স্থানীয় জনগণের মধ্যে আনন্দে জোয়ার ভাসতে থাকে ঐএলাকার জনগণ অতীথি পাখি গুলোকে সবাই দেখভাল করে আপন করে  নেয়। প্রতিবছর পাখি গুলো তখন থেকে শিমুল গাছটিতে অভয়াশ্রম হিসেবে বসবাস করতে থাকে। এখন  এলাকাবাসী সকলে নিজের দায়ীত্বে কেউ পাখি শিকার করতে এলে বৃদ্ধ থেকে শিশু পর্যন্ত  সবাই  বাধা প্রদান করে। প্রতিবছর বাচ্চা ফুটানোর ফলে বর্তমানে ৬০ এর অধিক মদনটাক পাখি  বসবাস করে,পাশাপাশি শামুকখোল পাখিও এসে বসবাস করে। ঐ গ্রামের সাবেক মেম্বার ও স্থানীয় জনগন মনে করেন, সরকার যদি পাখিদের জন্য অভায়শ্রম তৈরী করে।তাহলে  পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় পাখি গুলো কাজ করবে।এই এলাকায় পাখিগুলো নদী ও বিলে ক্ষতিকর কীট পতঙ্গ গুলো ধরে খায়, যা আমাদের  পরিবেশ জন্য অত্যন্ত উপকারী। সরকার  যদি প্রতিটি উপজেলায় একটি করে পাখিদের জন্য অভয়াশ্রম করে, তাহলে ভবিষৎ প্রজন্মে পাবে নিরাপদ আবাসভুমি।
Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *