Latest:

Today: 11 Nov 2019 - 12:45:35 am

তানোরে আসনারা কিনিকে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনার দাবী

Published on Saturday, June 22, 2019 at 4:02 pm 0 Views

simantotimes24

বিশেষ প্রতিনিধি, রাজশাহী : রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌর সদরে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে গড়ে ওঠা আসনারা কিনিক এ্যান্ড ডায়াগণস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পৌরবাসী অবৈধ এই কিনিকে ভাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনার দাবী করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে অথচ রহস্যজনক কারণে জেলা সিভিল সার্জন বিষয়টি দেখেও না দেখার অভিনয়ে এড়িয়ে চলেছে। স্থানীয়রা জানায়, সরকারি হাসপাতাল, ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কমিউনিটি কিনিক ও একশ্রেণীর পল্লী চিকিৎসক রোগী ধরা দালাল হিসেবে কাজ করছে। রোগী প্রতি কমিশনের আশায় এসব দালালরা অভিনব কৌশল ও প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগী বাগিয়ে নিয়ে এই কিনিকে ভর্তি করছে। ফলে সার্বনিক চিকিৎসক ছাড়াই এই কিনিক চললেও তাদের রোগীর অভাব হচ্ছে না। চিকিৎসার নামে চলছে অপচিকিৎসা অধিকাংশেেত্র মালিক-কর্মচারীরা চিকিৎসক সেজে প্রতারণা করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে বলেও একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। স্থানীয়রা কিনিকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপরে জরুরী হস্তপে কামনা করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, সরকারিবিধি মোতাবেক প্রাইভেট কিনিক, ডায়াগণষ্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল পরিচালনা করতে পরিবেশ ছাড়পত্র, স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার সার্ভিস অনুমতিপত্র, পারমাণবিক শক্তি কমিশনের অনুমতিপত্র, আয়কর-ভ্যাট, ডিপ্লোমা নার্স ও প্যাথলজি ডিপ্লোমাধারী সার্বণিক এমবিবিএস চিকিৎসক অবশ্যই থাকতে হবে। এ ছাড়াও ১৯৮২ সালের ‘দ্য মেডিকেল প্রাকটিস অ্যান্ড লাবরেটরিজ রেগুলেশন’ অনুযায়ী ১০ শয্যাবিশিষ্ট কোন হাসপাতালের জন্য জরুরি বিভাগে তিনজন স্থায়ী চিকিৎসা কর্মকর্তা, তিনজন ডিপ্লোমাধারী জ্যেষ্ঠ সেবিকা, তিনজন কনিষ্ঠ সেবিকা, তিনজন আয়া, তিনজন ওয়ার্ডবয়, একজন ব্যবস্থাপক, দু’জন পাহাদার, মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি ও অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ অস্ত্রপাচার ক (অপারেশন থিয়েটার) না থাকলে সেখানে কোনো রোগীর অস্ত্রপাচার (অপারেশন) করানো যাবে না বলে শর্ত দেয়া রয়েছে। কিšত্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগের একশ্রেণীর অসাধু দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারির যোগসাজশে এই কিনিক মালিক নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলেও জনশ্র“তি রয়েছে। এছাড়াও ২০১৫ সালের ৫ নভেম্বর কিনিকে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মালিকের ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় বলেও এলাকায় প্রচার আছে। তবে কিনিক মালিক এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একটি মহল তার ব্যবসার সুনাম ুন্ন করতে এসব অপপ্রচার করছে। এ ব্যাপারে রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন ডা, কাজী মিজানুর রহমান বলেন, কোনো কিনিকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, তবে যেহেতু অভিযোগ উঠেছে সেহুতু আসনারা কিনিকের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে কোনো অনিয়ম বা অসঙ্গতি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *